চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা ট্রেনের সময়সূচি ও টিকেটের মূল্য

সারসংক্ষেপ

আপনি কি চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় যাবার কথা ভাবছেন, সেজন্যেই খুঁজছেন চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা ট্রেনের সময়সূচি ও টিকেটের মূল্য সম্পর্কে তথ্য? তাহলে আপনি ঠিক জায়গায়ই এসেছেন। এখানে আপনার প্রয়োজনীয় সব তথ্যই পেয়ে যাবেন।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় আর দূরবর্তী এই দুই শহরের মধ্যে ভ্রমণের জন্যে রেলপথ বেছে নেওয়াই সম্ভবত সবচেয়ে ভালো। কারণ ট্রেন ভ্রমণ যেমন নিরাপদ তেমনি সাশ্রয়ী। তাই প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ট্রেনে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় যান। তাঁরা সবাই চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা ট্রেনের সময়সূচি খোঁজেন।

এই নিবন্ধে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা ট্রেনের সময়সূচি ও টিকেটের মূল্য তালিকা ছাড়াও রয়েছে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার সঠিক দূরত্ব, কোন্ কোন্ ট্রেন চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় যায়, কখন এগুলি ছেড়ে যায় আর পৌঁছায়, ট্রেনগুলি কেমন, ভ্রমণে এগুলি কতটা সময় নেয়, কোথায় কোথায় থামে, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা ট্রেনের কোন্ শ্রেণীর টিকেটের দাম কত এবং অনলাইনে টিকেট বুকিংয়ের উপায় কী—আপনার সামনে এই সবকিছুই আমরা আমরা তুলে ধরছি। আশা করি আপনি এই নিবন্ধটি পছন্দ করবেন।

Sonar Bangla Express train schedule & ticket price 2021
চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার পথে বিরতিহীন ট্রেন সোনার বাংলা এক্সপ্রেস।

বাংলাদেশ রেলওয়ের জরিপ অনুসারে, রেলপথে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার দূরত্ব হচ্ছে ৩৪৬ কিলোমিটার। তবে সড়কপথে চট্টগ্রাম এবং ঢাকার মধ্যকার দূরত্ব ২৯৫ কিলোমিটার, যেমনটি বলছে বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। যেহেতু এটি একটি দীর্ঘ পথ, তাই স্বাচ্ছন্দ্যের জন্যে বেশিরভাগ ভ্রমণকারী অন্যান্য গণপরিবহনের পরিবর্তে তাঁদের ভ্রমণের জন্যে ট্রেনই বেছে নেন।

আপনি যদি রাজধানী ঢাকা থেকে সড়ক ও রেলপথে বাংলাদেশের অন্যান্য জেলা শহরগুলির সঠিক দূরত্ব জানতে চান, তাহলে দয়া করে এই লেখাটি একবার দেখে নিন: Dhaka to All District Distance. ইন্টারনেটে পাওয়া জিপিএস-নির্ভর ডিস্ট্যান্স ক্যালকুলেটরগুলি মোটেই বিশ্বস্ত নয়।

চট্টগ্রাম টু ঢাকা ট্রেন রুট ম্যাপ

চট্টগ্রাম থেকে ট্রেনগুলি ফেনী, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ভৈরব এবং নরসিংদী জেলা হয়ে ঢাকায় যায়। চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী ৮টি ট্রেনের রুট একই, তবে প্রতিটি ট্রেনের স্টপেজ আলাদা আলাদা। মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি এই রুটে সর্বোচ্চ ১২টি বিরতি নেয়। আপনি যদি এই স্টপেজগুলি দেখেন, তাহলে চট্টগ্রাম টু ঢাকা ট্রেনের রুট ম্যাপের একটি পরিষ্কার ছবি পেয়ে যাবেন।

অতএব, আসুন চট্টগ্রাম থেকে ট্রেনগুলি ঢাকায় যেতে যেসব স্টেশন অতিক্রম করে তার একটি তালিকা দেখে নিই:

চট্টগ্রাম> কুমিরা> ফেনী জংশন> নাঙ্গলকোট> লাকসাম জংশন> কুমিল্লা> কসবা> আখাউড়া জংশন> ব্রাহ্মণবাড়িয়া> আশুগঞ্জ> ভৈরব বাজার জংশন> নরসিংদী> ঢাকা বিমানবন্দর রেলস্টেশন> ঢাকা কমলাপুর রেল স্টেশন।

আপনি যদি চট্টগ্রাম টু ঢাকা ট্রেন রুট ম্যাপের পূর্ণ বিবরণ দেখতে চান, তাহলে নিচে সংযুক্ত পিডিএফ ফাইলটি ডাউনলোড করে দেখে নিন। এতে সমগ্র বাংলাদেশের রেল নেটওয়ার্কের সমস্ত স্টেশনসহ সম্পূর্ণ ট্রেন রুট ম্যাপ দেখানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম টু ঢাকা ট্রেনের তালিকা

ট্রেন পরিচিতি, সময়সূচি এবং বিরতিস্থল

চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা ট্রেনের সময়সূচি ও টিকেটের মূল্যের সারণীর আগে, আসুন এই রুটে চলাচলকারী ট্রেনগুলির তালিকা আর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি দেখে নিই। চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী যাত্রীদের জন্যে এটা নিশ্চয়ই সুবিধের ব্যাপার যে, এই রুটে ৮টি ট্রেন চলাচল করছে। কাজেই আপনি অনেকটা আপনার সুবিধাজনক সময়ে যাত্রা শুরু করতে পারেন। আমরা নিচে ট্রেনগুলির তালিকা দিচ্ছি। এতে প্রথম ৫টি হচ্ছে আন্তঃনগর ট্রেন এবং বাকী ৩টি মেইল ট্রেন:

১. সুবর্ণ এক্সপ্রেস:

সুবর্ণ এক্সপ্রেস (ট্রেন নং ৭০১/৭০২) হলো বাংলাদেশ রেলওয়ে পরিচালিত একটি বিরতিহীন এবং দ্রুতগামী আন্তঃনগর ট্রেন। ট্রেনটি চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে ঢাকা কমলাপুর রেলস্টেশন পর্যন্ত চলাচল করে।

বাংলাদেশে বর্তমানে ৪টি আন্তঃনগর ট্রেন রয়েছে। সুবর্ণ এক্সপ্রেস হলো দেশের প্রথম বিরতিহীন আন্তঃনগর ট্রেন। এটি ঢাকা বিমানবন্দর রেলস্টেশন বাদে তার ৩৪৬ কিলোমিটার দীর্ঘ যাত্রায় আর কোথাও থামে না।

সময়সূচি: সুবর্ণ এক্সপ্রেস সকাল ৭টায় চট্টগ্রাম রেলস্টেশন ছেড়ে যায় এবং দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছায়। সোমবার হলো সুবর্ণ এক্সপ্রেসের সাপ্তাহিক বন্ধের দিন।

বিরতিস্থল: চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা সুবর্ণ এক্সপ্রেস ঢাকা শহরের বিমানবন্দর রেলস্টেশনে মাত্র ৩ মিনিটের বিরতি নেয়। এছাড়া ট্রেনটি আর কোথাও থামে না।

আপনি যদি সুবর্ণ এক্সপ্রেসে ভ্রমণ করবেন বলেই ভেবে থাকেন, কিংবা যদি এই ট্রেনটি সম্পর্কে আরও বিস্তারিতভাবে জানতে চান, তাহলে এটা দেখুন:

২. মহানগর এক্সপ্রেস:

মহানগর এক্সপ্রেস (ট্রেন নং ৭২১/৭২২) হচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়ে পরিচালিত একটি বিলাসবহুল আন্তঃনগর ট্রেন। ট্রেনটি বন্দর নগরী চট্টগ্রাম এবং রাজধানী ঢাকার মধ্যে চলাচল করে। মহানগর এক্সপ্রেস প্রথমবারের মতো যাত্রা শুরু করেছিল ১৯৮৫ সালের ৪ ডিসেম্বর।

সময়সূচি: মহানগর এক্সপ্রেস আন্তঃনগর ট্রেন চট্টগ্রাম থেকে দুপুর সাড়ে ১২টায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয় এবং সন্ধ্যে ৭টা ১০ মিনিটে গন্তব্যে পৌঁছায়। রোববার হলো মহানগর এক্সপ্রেসের সাপ্তাহিক ছুটির দিন।

বিরতিস্থল: মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি নিম্নলিখিত ১২টি স্টেশনে বিরাম নেয়:
কুমিরা, ফেনী জংশন, নাঙ্গলকোট, লাকসাম জংশন, কুমিল্লা, কসবা, আখাউড়া জংশন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আশুগঞ্জ, ভৈরব বাজার জংশন, নরসিংদী ও ঢাকা বিমানবন্দর রেলস্টেশন।

৩. মহানগর গোধূলি:

মহানগর গোধূলি (ট্রেন নং ৭০৩/৭০৪) চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে চলাচলকারী বিলাসবহুল আন্তঃনগর ট্রেনগুলির অন্যতম। ট্রেনটি তার যাত্রাপথে ফেনী, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং কিশোরগঞ্জ জেলাকে সংযুক্ত করেছে। মহানগর গোধূলি উদ্বোধন করা হয় ১৯৮৬ সালে।

সময়সূচি: মহানগর গোধূলি আন্তঃনগর ট্রেন চট্টগ্রাম থেকে বিকেল ৩টায় ছেড়ে যায় এবং ঢাকায় পৌঁছায় রাত ৯টা ২৫ মিনিটে। এর কোনো সাপ্তাহিক ছুটির দিন নেই।

বিরতিস্থল: মহানগর গোধূলি আন্তঃনগর ট্রেনটি নিম্নলিখিত ৮টি স্থানে থামে: ফেনী জংশন, গুণবতী, লাকসাম জংশন, কুমিল্লা, আখাউড়া জংশন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ভৈরব বাজার জংশন এবং ঢাকা বিমানবন্দর রেলস্টেশন।

৪. সোনার বাংলা এক্সপ্রেস:

সোনার বাংলা এক্সপ্রেস (ট্রেন নং ৭৮৭/৭৮৮) বাংলাদেশের মাত্র ৪টি বিরতিহীন আন্তঃনগর ট্রেনের মধ্য থেকে একটি। এটি খুব জনপ্রিয় এবং বিলাসবহুল ট্রেন, চট্টগ্রাম টু ঢাকা রুটে চলাচল করে।

সোনার বাংলা এক্সপ্রেস উদ্বোধন করা হয় ২৫শে জুন, ২০১৬-তে।

সময়সূচি: সোনার বাংলা এক্সপ্রেস আন্তঃনগর ট্রেন চট্টগ্রাম থেকে বিকেল ৫টায় রওনা হয় এবং ঢাকায় পৌঁছয় রাত ১০টা ১০ মিনিটে। এর সাপ্তাহিক বন্ধের দিন হলো মঙ্গলবার।

বিরতিস্থল: একটি বিরতিহীন আন্তঃনগর ট্রেন হিসেবে সোনার বাংলা এক্সপ্রেস ঢাকা বিমানবন্দর রেলস্টেশন ছাড়া তার দীর্ঘ পথযাত্রায় আর কোথাও থামে না।

আপনি যদি সোনার বাংলা এক্সপ্রেসে ভ্রমণ করবেন বলে স্থির করেন, তাহলে এই ট্রেনের আলাদা সময়সূচি এবং টিকেটের দাম জানতে অনুগ্রহ করে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

৫. তূর্ণা এক্সপ্রেস:

তূর্ণা এক্সপ্রেস (ট্রেন নং ৭৪১/৭৪২) হলো বাংলাদেশ রেলওয়ে পরিচালিত চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা রুটের একটি উচ্চগতির বিলাসবহুল আন্তঃনগর ট্রেন। তূর্ণা হচ্ছে এই রুটের দ্বিতীয় আন্তঃনগর ট্রেন, যা সপ্তাহের সাত দিনই চলে। আগে এই ট্রেনের নাম ছিল তূর্ণা নিশীথা। আপনি নিশীথে অর্থাৎ রাতের বেলা ভ্রমণ করতে চাইলে তূর্ণা আপনার জন্যে আদর্শ।

সময়সূচি: তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনটি চট্টগ্রাম থেকে রাত ১১টায় ছাড়ে, আর ঢাকায় পৌঁছয় ভোর সোয়া ৫টায়। এর কোনো সাপ্তাহিক ছুটি নেই।

বিরতিস্থল: তূর্ণা এক্সপ্রেস আন্তঃনগর ট্রেনটি নিম্নলিখিত ৭টি স্টেশনে থামে:
ফেনী জংশন, লাকসাম জংশন, কুমিল্লা, আখাউড়া জংশন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ভৈরব বাজার জংশন এবং ঢাকা বিমানবন্দর রেলস্টেশন।

Chittagong to Dhaka Train Subarna Express
সুবর্ণ এক্সপ্রেস—চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা রুটের একটি বিলাসবহুল ট্রেন।

চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা ট্রেনের সময়সূচি

এবার আমরা আপনার সামনে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা ট্রেনের সময়সূচির পূর্ণ বিবরণ তুলে ধরব, যাতে আপনি আপনার উপযুক্ত সময়ের সাথে উপযুক্ত ট্রেনটিকে মিলিয়ে নিয়ে আপনার ভ্রমণসূচি তৈরি করতে পারেন। ট্রেনগুলির বন্ধের দিনের দিকে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন। কারণ অধিকাংশ ট্রেনেরই সাপ্তাহিক ছুটির দিন রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, সুবর্ণ এক্সপ্রেস সোমবারে চলে না, তেমনি মহানগর এক্সপ্রেস রোববারে বিশ্রাম নেয়।

চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা রুটে চলাচলকারী ৫টি আন্তঃনগর ট্রেন এবং ৩টি মেইল ট্রেনের সম্পূর্ণ সময়সূচি নিচেে সারণীতে দেয়া হলো।

চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা ট্রেনের সময়সূচি ২০২১

ট্রেনের নাম ছাড়ে পৌঁছায় বন্ধ
৭০১ - সুবর্ণ এক্সপ্রেস সকাল ০৭:০০ দুপুর ১২:২০ সোম
৭২১ - মহানগর এক্সপ্রেস দুপুর ১২:৩০ সন্ধ্যে ০৭:১০ রবি
৭০৩ - মহানগর গোধূলি বিকেল ০৩:০০ রাত ০৯:২৫ নেই
৭৮৭ - সোনার বাংলা এক্সপ্রেস বিকেল ০৫:০০ রাত ১০:১০ মঙ্গল
৭৪১ - তূর্ণা এক্সপ্রেস রাত ১১:০০ ভোর ০৫:১৫ নেই
১ - ঢাকা মেইল ১০:৩০ ০৭:২০ নেই
৩ - কর্ণফুলী এক্সপ্রেস সকাল ১০:০০ সন্ধ্যে ০৭:৪০ নেই
৬৭ - চট্টলা এক্সপ্রেস সকাল ০৮:৩০ বিকেল ০৩:৫০ মঙ্গল

চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা ট্রেনের টিকেটের মূল্য

চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা ট্রেনের সময়সূচি আলোচনার পরে এবার আমরা জানব চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা ট্রেনের টিকেটের মূল্য তথা ট্রেনের ভাড়া সম্পর্কে। আপনি নিশ্চয়ই জানেন যে, বাংলাদেশে কয়েক ধরণের ট্রেন রয়েছে। সম্প্রতি কৃত সামান্য ব্যতিক্রম বাদে, এখন পর্যন্ত সব ধরণের ট্রেনের ভাড়া একই রকম। প্রত্যেকটি ট্রেনেই যাত্রীদের জন্যে আলাদা আলাদা মানের সিট রয়েছে এবং ট্রেনের টিকেটের মূল্য নির্ধারণ করা হয় সিটের শ্রেণী আর দূরত্ব অনুপাতে।

এখানে, বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃক প্রকাশিত ও সর্বশেষ পরিমার্জিত মূল্যতালিকা অনুযায়ী আমরা চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা ট্রেনের টিকেটের মূল্য বিশদভাবে তুলে ধরছি। আপনি আপনার পছন্দ ও সাধ্য অনুযায়ী আপনার ভ্রমণের জন্যে উপযুক্ত মানের আসন বেছে নেবেন।

উল্লেখ্য, আপনি এখন আপনার নিজের বাড়িতে বসে থেকেই অনলাইনে চট্টগ্রাম টু ঢাকা ট্রেনের কিংবা আপনার পছন্দসই যে-কোনো গন্তব্যের জন্যে টিকেট কিনতে পারবেন। অনলাইনে ট্রেনের টিকেটের বুকিংয়ের প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধাপে ধাপে বর্ণিত একটি গাইডলাইন এই: বাংলাদেশ রেলওয়ের টিকিট বুকিং অনলাইন।

চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা ট্রেনের টিকেটের মূল্য ২০২১

আসনের শ্রেণীটিকেটের মূল্য
২য় শ্রেণী সাধারণ৯০ টাকা
২য় শ্রেণী মেইল১১৫ টাকা
কমিউটার১৪৫ টাকা
সুলভ১৭৫ টাকা
শোভন২৮৫ টাকা
শোভন চেয়ার৩৪৫ টাকা
১ম শ্রেণী চেয়ার৪৬০ টাকা
স্নিগ্ধা৬৫৬ টাকা
১ম শ্রেণী কেবিন৬৮৫ টাকা
এসি সিট৭৮৮ টাকা
এসি কেবিন১১৭৯ টাকা

চট্টগ্রাম-ঢাকা ট্রেন তূর্ণা, ভিডিওতে

শুভযাত্রা!

চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী ট্রেনের সময়সূচি এবং ট্রেন টিকেট নিয়ে আমাদের কাছে আপাতত তথ্য ছিল এটুকুই। এখানে প্রদত্ত সমস্ত তথ্য বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ পরিমার্জিত বিজ্ঞপ্তি অনুসারে সম্পাদিত। অবশ্য রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ যে-কোনও সময় এই সময়সূচি ও মূল্যতালিকায় যে-কোনো ধরণের পরিবর্তনের অধিকার সংরক্ষণ করে। এই লেখা সম্পর্কে আপনার যদি কিছু বলবার থাকে, দয়া করে নিচের মন্তব্যের ঘরে নির্দ্বিধায় বলে রাখুন। আমরা নিশ্চয়ই জবাব দেব। কোনো বিশেষ পরামর্শ থাকলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুনপর্যটন ডটকম-কে এতক্ষণ সঙ্গ দেবার জন্যে আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

আপনার যাত্রা আনন্দময় হোক!

বাংলাদেশ রেলওয়ে সময়সূচি

পর্যটন আপনার জন্যে দেশের সকল গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যের ট্রেনের সময়সূচি এবং টিকেটের মূল্যতালিকা সাজিয়ে তুলে ধরছে এবং অবিরাম হালনাগাদ করছে। আপনার কাঙ্ক্ষিত ট্রেন শিডিউল খুঁজে নিতে

পর্যটন একটি বাংলাদেশি ভ্রমণ ওয়েবসাইট। এর কাজ হলো পর্যটককে পথ দেখানো। প্রথমে বাংলাদেশ, ক্রমশ এশিয়া এবং তারপর সারা দুনিয়ার সুন্দর সুন্দর পর্যটনকেন্দ্রগুলির তথ্য ও ছবি এক জায়গায় জড়ো করে আমরা গড়ে তুলতে চাই একটি ভ্রমণ বিশ্বকোষ—ট্যুরপিডিয়া, যেন নিসর্গ আর ইতিহাসের টানে গৃহত্যাগী মানুষেরা এ থেকে পান পথনির্দেশ, আর ঘুরকুনো কুঁড়েরা কুড়িয়ে নিতে পারে বেরিয়ে পড়বার জন্যে একমুঠো উৎসাহ। আপনার ঘরের কাছেই হয়তো অবহেলায় অগোচরে পড়ে আছে ঘুরে দেখার মতো চমৎকার কোনো জায়গা কিংবা ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে রয়েছে শত শত বছরের পুরনো কোনো মসজিদ, আপনি কি তার কথা আমাদেরকে জানাবেন যাতে আমরা সেটা দুনিয়ার সামনে তুলে ধরতে পারি?

Was this article helpful?
YesNo

Leave a Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Scroll to Top